Breaking News

আলমডাঙ্গার গর্ব: ‘লালন কন্যা’ নাসরিন আক্তার বিউটির অনন্য অর্জন।

বশিরুল আলম,আলমডাঙ্গা, (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
 ছবি:
ছবি:

বশিরুল আলম, আলমডাঙ্গা, চুয়াডাঙ্গা:সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আরেকটি গৌরবময় অধ্যায়ের নাম লিখলেন আলমডাঙ্গার কৃতি সন্তান নাসরিন আক্তার বিউটি। দেশের জনপ্রিয় স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল আই আয়োজিত মর্যাদাপূর্ণ চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস-এর ২০তম আসরে তিনি অর্জন করেছেন ‘শ্রেষ্ঠ লোকসঙ্গীত শিল্পী (পল্লীগীতি ও মরমী)’ সম্মাননা। এই অর্জনে উচ্ছ্বসিত শুধু তার ভক্তরাই নন, গর্বে ভাসছে পুরো আলমডাঙ্গা। গ্রামীণ আবহ, মাটির গন্ধ আর বাংলার লোকজ ঐতিহ্যকে হৃদয়ে ধারণ করে বেড়ে ওঠা নাসরিন আক্তার বিউটি দীর্ঘদিন ধরে লোকসঙ্গীতের ভুবনে নিজস্ব এক অবস্থান তৈরি করেছেন। তার কণ্ঠে লালন, পল্লীগীতি ও মরমী গান যেন নতুন প্রাণ পায়—যা শ্রোতাদের আবেগে নাড়া দেয় বারবার।
তার সংগীতজীবনের সূচনা হয় আলোচিত রিয়েলিটি শো ক্লোজআপ ওয়ান: তোমাকেই খুঁজছে বাংলাদেশ-এর মাধ্যমে। ২০০৫ সালে এই প্রতিযোগিতার প্রথম আসরে লালনগীতি পরিবেশন করে তিনি অর্জন করেন তৃতীয় স্থান। সেসময় তার কণ্ঠের মাধুর্যে মুগ্ধ হয়ে প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল তাকে স্নেহভরে ‘লালন কন্যা’ উপাধিতে ভূষিত করেন। সেই পরিচয়ই আজও তার সংগীত পরিচয়ের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে আছে। সংগীতের প্রতি নিষ্ঠা, সাধনা এবং ঐতিহ্যবাহী ধারার প্রতি ভালোবাসা তাকে আজকের এই অবস্থানে পৌঁছে দিয়েছে। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আধুনিকতার ভিড়েও তিনি আঁকড়ে রেখেছেন বাংলার শেকড়, তুলে ধরেছেন লোকসংগীতের আসল সৌন্দর্য। এই সম্মাননা শুধু একজন শিল্পীর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, এটি আলমডাঙ্গার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যেরও এক উজ্জ্বল প্রতিফলন। নাসরিন আক্তার বিউটির এই অর্জন নতুন প্রজন্মকে লোকসঙ্গীতের প্রতি আগ্রহী করে তুলবে—এমনটাই প্রত্যাশা সবার। মাটির টানে, সুরের আবেগে আর সাধনার শক্তিতে ‘লালন কন্যা’ নাসরিন আক্তার বিউটি এগিয়ে চলুন আরও দূর—এই কামনাই

বিষয়:

এলাকার খবর

সম্পর্কিত